চিকিৎসা নিতে রাজধানীতে এসে হোটেলকক্ষে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ (২৬)৷ গত রোববার গভীর রাতে মগবাজারের এক অাবাসিক হোটেলে পাশের কক্ষে স্বামীকে বেঁধে রেখে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়৷ ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ ওই কক্ষ থেকে মহানগর ছাত্রলীগের এক নেতা ও তাঁর এক সহযোগীকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করেছে৷
রমনা থানার পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন (২৭) ও তাঁর সহযোগী উজ্জ্বল মিয়া (৩৩)। তাঁদের সোমবার আদালতে পাঠালে আদালত তাঁদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন৷ গতকাল মঙ্গলবার থেকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে৷
অবশ্য যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে ইকবালকে আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে।
রমনা থানার পুলিশ জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় কিছুদিন আগে ওই গৃহবধূর বাঁ চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ ধানমন্ডির একটি চক্ষু হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন৷ ওই চোখের চিকিৎসার জন্য তিনি কুমিল্লা থেকে স্বামীর সঙ্গে গত রোববার সন্ধ্যায়
ঢাকায় আসেন। তাঁরা মগবাজার মোড়ে হোটেল গোল্ডেন এন প্যালেস নামের আবাসিক হোটেলের দোতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে ওই কক্ষের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে ওই দম্পতির ঘুম ভাঙে৷ গৃহবধূর স্বামী ‘কে’ জিজ্ঞেস করলে জবাব আসে ‘হোটেল মালিক’। এতে তাঁরা দরজা খুলে দিলে ছুরি হাতে চার-পাঁচজন কক্ষে ঢুকে পড়েন। ছুরির মুখে তিনজন তাঁর স্বামীকে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। ওই কক্ষে থাকা দুজনের একজন গৃহবধূকে আটকে রাখেন, অন্যজন ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারী কৌশলে মুঠোফোনে এক আত্মীয়কে বিষয়টি জানালে তিনি রমনা থানার পুলিশকে জানান। পুলিশের একটি দল রাত দেড়টার দিকে ওই হোটেল কক্ষে গিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার ও ছাত্রলীগ নেতা ইকবালসহ দুজনকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার শিকার গৃহবধূ নিজেই রমনা থানায় মামলা করেছেন৷ সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে৷ তবে এখনো ওই পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি৷
পুলিশ জানায়, এজাহারে ইকবাল হোসেনকে ধর্ষণকারী ও উজ্জ্বলকে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইকবালের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার বাংলাবাজারে এবং উজ্জ্বলের বাড়ি একই জেলার সখীপুর উপজেলার ব্যাপারীকান্দিপাড়া গ্রামে৷ ইকবাল ঢাকার কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে তাঁর বাসা বলে পুলিশকে জানিয়েছেন৷
অবশ্য পুলিশকে দেওয়া ইকবালের ঠিকানা অনুযায়ী ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে গিয়ে জানা যায়, সেখানে এ নামের কেউ থাকেন না৷
গতকাল মগবাজারে গিয়ে ওই আবাসিক হোটেল বন্ধ পাওয়া যায়৷ রমনা থানার ওসি জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর পুলিশ আবাসিক হোটেলটি বন্ধ করে দিয়েছে৷ হোটেলের কোনো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি৷
পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের ভয় দেখিয়ে দরজা খুলতে বাধ্য করেছিলেন ইকবাল ও অন্যরা৷
রমনা থানার পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন (২৭) ও তাঁর সহযোগী উজ্জ্বল মিয়া (৩৩)। তাঁদের সোমবার আদালতে পাঠালে আদালত তাঁদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন৷ গতকাল মঙ্গলবার থেকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে৷
অবশ্য যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে ইকবালকে আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে।
রমনা থানার পুলিশ জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় কিছুদিন আগে ওই গৃহবধূর বাঁ চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ ধানমন্ডির একটি চক্ষু হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন৷ ওই চোখের চিকিৎসার জন্য তিনি কুমিল্লা থেকে স্বামীর সঙ্গে গত রোববার সন্ধ্যায়
ঢাকায় আসেন। তাঁরা মগবাজার মোড়ে হোটেল গোল্ডেন এন প্যালেস নামের আবাসিক হোটেলের দোতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে ওই কক্ষের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে ওই দম্পতির ঘুম ভাঙে৷ গৃহবধূর স্বামী ‘কে’ জিজ্ঞেস করলে জবাব আসে ‘হোটেল মালিক’। এতে তাঁরা দরজা খুলে দিলে ছুরি হাতে চার-পাঁচজন কক্ষে ঢুকে পড়েন। ছুরির মুখে তিনজন তাঁর স্বামীকে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। ওই কক্ষে থাকা দুজনের একজন গৃহবধূকে আটকে রাখেন, অন্যজন ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারী কৌশলে মুঠোফোনে এক আত্মীয়কে বিষয়টি জানালে তিনি রমনা থানার পুলিশকে জানান। পুলিশের একটি দল রাত দেড়টার দিকে ওই হোটেল কক্ষে গিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার ও ছাত্রলীগ নেতা ইকবালসহ দুজনকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার শিকার গৃহবধূ নিজেই রমনা থানায় মামলা করেছেন৷ সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে৷ তবে এখনো ওই পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি৷
পুলিশ জানায়, এজাহারে ইকবাল হোসেনকে ধর্ষণকারী ও উজ্জ্বলকে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইকবালের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার বাংলাবাজারে এবং উজ্জ্বলের বাড়ি একই জেলার সখীপুর উপজেলার ব্যাপারীকান্দিপাড়া গ্রামে৷ ইকবাল ঢাকার কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে তাঁর বাসা বলে পুলিশকে জানিয়েছেন৷
অবশ্য পুলিশকে দেওয়া ইকবালের ঠিকানা অনুযায়ী ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে গিয়ে জানা যায়, সেখানে এ নামের কেউ থাকেন না৷
গতকাল মগবাজারে গিয়ে ওই আবাসিক হোটেল বন্ধ পাওয়া যায়৷ রমনা থানার ওসি জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর পুলিশ আবাসিক হোটেলটি বন্ধ করে দিয়েছে৷ হোটেলের কোনো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি৷
পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের ভয় দেখিয়ে দরজা খুলতে বাধ্য করেছিলেন ইকবাল ও অন্যরা৷
0 comments:
Post a Comment