Monday, 15 September 2014

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার একটি ক্লিনিকের নার্সকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে কামরুল হাসান সৈকত নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে পার্শ্ববর্তী ক্ষেতলালের আলমপুর বাজারে একটি চাতাল ঘরে এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই অপহরণের পর ধর্ষণের মামলা করেছেন। শুক্রবার সকালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, ভিকটিম দুপচাঁচিয়া মেইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ক্লিনিকে নার্সের কাজ করেন। ভবনের মালিক আহম্মদ আলীর ছেলে কামরুল হাসান সৈকতের সাথে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জানাজানি হলে নার্সকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সৈকত মোবাইল ফোনে ওই নার্সকে বাড়ি থেকে ডেকে আনে। তাকে কাজীর কাছে নিয়ে ভুয়া বিয়ে রেজিস্ট্রি করে। এরপর তাকে পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার আলমপুর বাজারের কাছে একটি চাতাল ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকালে ভিকটিম স্ত্রী দাবি করলে সৈকত তাকে মারপিট করে পালিয়ে যায়। জনগণ নির্যাতিতা নার্সকে দুপচাঁচিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। পরে তিনি নিজেই থানায় সৈকতের বিরুদ্ধে মামলা করেন। দুপচাঁচিয়া থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন জানান, অপহরণ করে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
22:04   Posted by jaman in with No comments

0 comments:

Post a Comment

Bookmark Us

Delicious Digg Facebook Favorites More Stumbleupon Twitter

Search